Site logo
মসজিদের ধরণ
মসজিদের স্থাপিত সময়কাল

১৯০৯

মসজিদের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

ইতিহাস
কুতুব মসজিদটি আবিষ্কারের সময় এটিতে কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি বলে এর সঠিক নির্মাণকাল সম্পর্কে তেমন কোন তথ্য পাওয়া যায় না। তবে স্থাপত্য রীতি ও আন্যান্য দিক বিবেচনা করে প্রত্নতত্ত্ববিদগণ ধারণা করেন এটি ১৬শ শতকে সুলতানী আমলে নির্মাণ করা হয়েছে।  মসজিদটির পাশেই একটি কবর রয়েছে যা কুতুব শাহ-এর বলে ধরনা করা হয়ে থাকে। তার নামানুসারে মসজিদটিকে কুতুব মসজিদ বা কুতুব শাহ মসজিদ বলে ডাকা হয়। ১৯০৯ সালে তৎকালীন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এটিকে সংরক্ষিত হিসেবে নথিভুক্ত করে।

অবকাঠামো
চারকোণা কুতুব মসজিদের ৪টি কোণেই রয়েছে ৪টি বুরুজ যা অষ্টভূজাকৃতি। এটি উত্তর-দক্ষিণ দিকে লম্বা ও পূর্ব-পশ্চিমে প্রশস্ত। অষ্টভূজাকৃতি বুরুজের উপর রয়েছে ৪টি মিনার। এছাড়াও মসজিদটিতে রয়েছৈ মোট ৫টি গম্বুজ। পশ্চিম দেয়াল ব্যতীত এর তিনটি দেয়ালেই প্রবেশপথ রয়েছে মোট ৫টি যার মধ্যে পূর্বে রয়েছ ৩টি।

কুতুব মসজিদের বাইরের দেয়ালে বিভিন্ন নকশা করা রয়েছে। সুলতানী আমলের এ মসজিদটির ছাদের কার্নিশ বক্রাকার। তৎকালীন ময়মনসিং অঞ্চলের এটিই টিকে থাকা সুলতানী আমলের সবচেয়ে প্রাচীন মসজিদ বলে ধারণা করা হয়।

অবস্থান
  • 74H6+JC2, নিকলী - অষ্টগ্রাম সড়ক, অষ্টগ্রাম

ওয়াক্তের সময়
  • No comments yet.
  • Add a review
    Islamic Event 2024

    মসজিদের পরিচর্যা নিয়ে মহানবী (সা.) বলেছেন

    আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার এক বেদুঈন মসজিদে প্রস্রাব করে দিলো। তখন লোকজন তাকে শাসন করার জন্য উত্তেজিত হয়ে পড়ল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের বললেনঃ তোমরা তাকে ছেড়ে দাও এবং তার প্রস্রাবের উপর এক বালতি পানি অথবা একমাত্র পানি ঢেলে দাও। কারণ, তোমাদেরকে নম্র ব্যবহারকারী বানিয়ে পাঠানো হয়েছে, কঠোর ব্যবহারকারী হিসেবে পাঠানো হয়নি। 
    (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৬৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৫৮৫, বুখারি, হাদিস : ৬১২৮)